ঢাকা    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
আইন দর্পণ
স্বপ্নপূরণের পথে জেরিনের অনন্য সাফল্য, এইচএসসিতে জিপিএ-৫সহ সকল বিষয়ে এ প্লাস

স্বপ্নপূরণের পথে জেরিনের অনন্য সাফল্য, এইচএসসিতে জিপিএ-৫সহ সকল বিষয়ে এ প্লাস

অদম্য ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা, অধ্যবসায় আর নিরলস পরিশ্রম—সবকিছুর এক অনন্য প্রতিফলন ঘটিয়েছে মেহেরুন্নেসা তাবাসসুম জেরিন। ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করে নিজের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছে সে। শুধু জিপিএ-৫ অর্জনই নয়, সকল বিষয়েই এ প্লাস পেয়ে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে জেরিন।রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাবনার ঐতিহ্যবাহী সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সে এ কৃতিত্ব অর্জন করে।প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বাংলা বিষয়ে ১৭৪, ইংরেজিতে ১৬০, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৯২, পদার্থবিজ্ঞানে ১৮২, রসায়নে ১৯২, জীববিজ্ঞানে ১৯০ এবং উচ্চতর গণিতে ১৮৬ নম্বর পেয়েছে জেরিন। সকল বিষয়েই তার অর্জন এ প্লাস। সব মিলিয়ে তার ফলাফল গোল্ডেন জিপিএ-৫।একটি ভালো ফলাফলের পেছনে থাকে অসংখ্য নির্ঘুম রাত, নিজের সঙ্গে নিজের প্রতিযোগিতা, নানা বাধা পেরিয়ে এগিয়ে চলা এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার নিরন্তর চেষ্টা। জেরিনের এই সাফল্যও তেমনই এক অধ্যবসায়ের গল্প। তার এই অর্জন শুধু একটি পরীক্ষার ফলাফল নয়, বরং ভবিষ্যতের স্বপ্নপূরণের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভবিষ্যতে একজন আদর্শ চিকিৎসক হয়ে আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় জেরিন।জেরিনের পিতা মো. মাসুদ আলী এবং মাতা মোছা. ইয়াসমিন হাসি। সন্তানের এমন কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল নিঃসন্দেহে পরিবারের জন্য আনন্দ ও গর্বের উপলক্ষ। সন্তানের সাফল্যের হাসিতে বাবা-মায়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটে।জেরিনের এই অসাধারণ অর্জনে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। সবার প্রত্যাশা, এই সাফল্যকে পুঁজি করে সে চিকিৎসাবিদ্যার মতো মহান পেশায় পা রাখবে এবং নিজের মেধা, সততা ও কর্মনিষ্ঠা দিয়ে একদিন দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জেরিনের জন্য রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের শুভকামনা। তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন একদিন বাস্তবে রূপ নিক—এটাই সবার প্রত্যাশা।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে উত্তাল সাগর, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গভীর সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৩টায় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৮ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৮ অক্টোবর ভারতের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে। সাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকতে পারে। তাই জেলেদের আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে উত্তাল সাগর, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

৯ মাস পর খুলছে সেন্ট মার্টিন, মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ

টানা ৯ মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা দ্বীপটি ভ্রমণ করতে পারবেন। এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে দ্বীপে রাতযাপনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট কিছু না থাকায় পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁমালিক ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে পর্যটকদের সরকার নির্ধারিত ১২টি বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। এসব বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে অনুমোদিত নৌযানে যাতায়াত, অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ, সৈকতে মোটরচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা এবং পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন। প্রত্যেক পর্যটককে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি হিসেবে ১০০ টাকা দিতে হবে। মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে চলাচল করতে পারবে না। পর্যটকদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে। দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি ও বারবিকিউ পার্টি করা নিষিদ্ধ। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও করা যাবে না। সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ দ্বীপের অন্যান্য জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ মোটরচালিত যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। এ ছাড়া পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। রাতযাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা হয়। সভায় ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের যাতায়াতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত রোববার এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পর্যটকদের রাতযাপনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, দ্বীপে রাতযাপনের বিষয়ে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি। আগের প্রজ্ঞাপনের শর্তগুলো বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার কক্সবাজারে বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে প্রশাসনের কর্মকর্তা, পর্যটন করপোরেশন ও ট্যুরিজম বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাহাজমালিক, হোটেল-রেস্তোরাঁমালিক এবং ট্যুর অপারেটররা উপস্থিত থাকবেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে রাতযাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসক আরও জানান, সোমবার দুপুর পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচলের কোনো আবেদন জমা পড়েনি। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজকে পর্যটক নিয়ে দ্বীপে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে না। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্বেগ বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ বলেন, প্রতিদিন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক গেলে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে ছেঁড়াদিয়ায় পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ রাখা, সৈকতের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলাচল বন্ধ করা এবং নভেম্বর মাসে রাতযাপনের সুযোগ না দেওয়ার পক্ষে তিনি মত দেন। পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, টানা ৯ মাস পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকায় দ্বীপের পরিবেশ ও প্রতিবেশের উন্নতি হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে যাওয়া পর্যটকদের সরকার নির্ধারিত ১২টি বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। গত বছরও সীমিত ছিল পর্যটকদের যাতায়াত পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য গত বছর সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত সীমিত করা হয়। ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় ওই মাসে পর্যটকেরা সেখানে যেতে পারেননি। নভেম্বরে রাতযাপনের সুযোগ ছিল না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি—এই দুই মাস পর্যটকেরা রাতযাপনের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক দ্বীপে যাওয়া ও সেখানে রাতযাপনের সুযোগ পেয়েছিলেন। চার বছর আগে টেকনাফ থেকে প্রতিদিন ৯ থেকে ১১টি জাহাজে পাঁচ থেকে ছয় হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিনে যেতেন। তবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, নাফ নদীতে বাংলাদেশি ট্রলার ও যাত্রীবাহী নৌযানে গুলিবর্ষণ এবং নৌকাসহ বাংলাদেশিদের অপহরণের ঘটনায় টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন পথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। দুই বছর ধরে কক্সবাজার থেকে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। পরে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়। সেন্ট মার্টিনে সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। পলিথিন ও প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার বন্ধ এবং পর্যটকেরা বিধিনিষেধ মানছেন কি না, তা তদারক করতে কক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনে পৃথক দুটি দল কাজ করবে।

৯ মাস পর খুলছে সেন্ট মার্টিন, মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ

স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

নাটোরের সিংড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর থাপ্পড়ে পূর্ণিমা খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।  সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার হাতিয়ানদহের নতুন বস্তি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে পূর্ণিমা খাতুনের কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে রাশেদুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ণিমাকে জোরে থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

নাটোরের সিংড়ায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর থাপ্পড়ে পূর্ণিমা খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।  সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার হাতিয়ানদহের নতুন বস্তি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে পূর্ণিমা খাতুনের কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে রাশেদুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ণিমাকে জোরে থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

‘আপনারা ভালো থাকেন’, দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি

গাজীপুরের টঙ্গীতে ক্যাডেট মাদ্রাসায় সাত বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অধ্যক্ষের পাল্টা মামলার মুখে থাকা ভুক্তভোগীর বাবা শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন। সোমবার রাত আটটার দিকে গণমাধ্যমকে এক খুদেবার্তায় বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তবে খুদেবার্তায় তিনি বর্তমানে কোন দেশে অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। পাঠানো বার্তায় শাহজালাল রুমি বলেন, আমি এই দেশে আর নাই। এগুলা নিয়ে আর ভাবছি না, যা হয় হোক, আপনারা ভালো থাকেন। বার্তাটিতে সংশ্লিষ্ট ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন আলেম হয়েও তিনি অনেক মিথ্যা বলেছেন এবং এখনও বলে যাচ্ছেন। এর আগে, গত ২১ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসায় ওই শিশু শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন শিশুর বাবা শাহজালাল রুমি। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে এ ঘটনায় শাহজালাল রুমি বাদী হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি যৌন নিপীড়নের মামলা করেন। তবে ঘটনার পর মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। পাল্টা এই মামলা দায়েরের পর থেকেই মূলত আড়ালে চলে যান শাহজালাল রুমি। অবশেষে সোমবার তিনি দেশ ছাড়ার কথা জানালেন।

‘আপনারা ভালো থাকেন’, দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি

জায়গা না থাকায় বসতঘরেই বৃদ্ধকে দাফন

জায়গা না থাকায় নিজেদের বসতঘরের ভেতরেই করিম মিয়া (৭০) নামের এক বৃদ্ধকে দাফন করেছে তার পরিবার। দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ এই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর ঘরের টিনের বেড়া খুলে সেখানে কবর দেওয়া হয়। এতে পরিবারের বসবাসের ঘরটিই এখন পরিণত হয়েছে কবরস্থানে। ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শালমারা গ্রামে। করিম মিয়া শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে তিনি মারা যান। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে নিজের বসতঘরের ভেতরে তাকে দাফন করা হয়। করিম মিয়ার বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত ছিলেন। বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে ফুফুর কাছ থেকে বাবার থাকার ঘরসহ তিন শতাংশ জমি কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু দাফনের জন্য পরিবারের অন্য কোনো জায়গা না থাকায় শেষ পর্যন্ত সেই ঘরেই বাবাকে কবর দিতে হয়েছে। কোতুলী বেগম বলেন, আমরা দুই ভাই-বোন ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করি। আরেক বোন স্বামীর বাড়িতে থাকে। বাবাকে কবর দেওয়ার মতো কোনো জায়গাজমি আমাদের নেই। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে। সরকারি কবরস্থান থাকলে সেখানে দাফন করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই। বাড়ি থেকে অন্তত ৫ কিলোমিটার দূরে সরকারি গোরস্থান।  স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ ও নাদিম বলেন, ওই এলাকায় কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো সরকারি কবরস্থান নেই। শালমারা বাজারের উত্তরে সড়কের পূর্ব পাশের অনেক দরিদ্র পরিবারের নিজস্ব কবরস্থানের জায়গা নেই। ফলে তাদের বসতভিটাতেই স্বজনদের দাফন করতে হয়। এলাকায় অনেক খাসজমি রয়েছে। সেখানে সরকারি কবরস্থান করা হলে স্থানীয়দের উপকার হবে। এলাকায় বিত্তবান ও রাজনৈতিক নেতাকর্মী থাকলেও করিম মিয়ার দাফনের জন্য আলাদা জায়গার ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে বাবাকে হারানোর শোকের সঙ্গে বসতঘরে কবর দেওয়ার কারণে নতুন সংকটে পড়েছে পরিবারটি। যে ঘরে এত দিন করিম মিয়া ও তার স্ত্রী বসবাস করেছেন, সেই ঘরেই এখন রয়েছে তার কবর। ফলে পরিবারের মাথা গোঁজার আশ্রয় নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ বলেন, বিষয়টি সন্ধ্যায় শুনেছি। আগামীকাল সকালে প্রশাসনের লোকজনসহ আমরা ঘটনাস্থলে যাব ও করণীয় সব করব। ওই এলাকায় গোরস্থান নেই। একটি গণ-গোরস্থান করতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হবে। শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘরের ভেতরে কবর দেওয়ার বিষয়টি অবগত হয়েছি। মঙ্গলবার সেখানে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। পরিবার চাইলে মরদেহটি আমরা সরকারি গোরস্থানে কবর দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

জায়গা না থাকায় বসতঘরেই বৃদ্ধকে দাফন

হানি ট্র্যাপে প্রতারণার শিকার ঢাকার ব্যবসায়ী, গ্রেফতার ৬

খুলনায় হানি ট্র্যাপের শিকার হয়েছেন আলতাফ হোসেন নামের এক রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে তাকে সোনাডাঙ্গা থানার দ্বিতীয় আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় তাকে। এ ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তি ঢাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতার ছয় জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন- রেখা, অমিত হাসান রবিন, শেখ মনির টুটুল, শেখ আকাশ, রাকিবুল হাওলাদার ও আঞ্জুমান আরা বেগম। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেনের একটি প্রজেক্ট খুলনার খালিশপুর এলাকায় চলমান আছে। খালিশপুর এলাকায় তার একটি জমি বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে প্রতারকরা রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ীকে রাতে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ৩নং রোডের ২৭৭ নম্বর বাড়ির ই-২ ফ্লাটে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তাকে বিবস্ত্র করে মারধর করতে থাকে। এমন অভিযোগে রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে থানায় নেয় পুলিশ। সোনাডাঙ্গা থানার এসআই আশরাফুল আলম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এরপর তাদের আটক করা হয়। ব্যবসায়ীকে মেরে নেওয়া নগদ এক লাখ টাকা ও একটি স্বাক্ষর করা খালি চেক তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

হানি ট্র্যাপে প্রতারণার শিকার ঢাকার ব্যবসায়ী, গ্রেফতার ৬

হাসপাতালের ১৫ ফ্যান চুরি, বিএনপি নেতার ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১৫টি সিলিং ফ্যানসহ লোহার পাইপ ও অ্যাঙ্গেল চুরির ঘটনায় মো. মান্না শেখকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদপুরের ৩ নম্বর আমলি আদালত এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মান্না শেখ একজন বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালক। তিনি বোয়ালমারী পৌর বিএনপির সহকোষাধ্যক্ষ ও প্রস্তাবিত উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিজাউল হক শেখের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় অবস্থিত একটি অব্যবহৃত কক্ষের তালা ভেঙে মালামালগুলো চুরি করা হয়। পরদিন শনিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ভবনের পেছনে থাকা অব্যবহৃত ক্যান্টিন কক্ষ থেকে এসব মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নৈশপ্রহরী না থাকায় চুরির সময় ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে ধরা পড়েনি। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে মালামাল নিয়ে বের হওয়ার সময় মান্না শেখকে শনাক্ত করা হয়। ঘটনার পর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনকে শনাক্তের পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। চুরির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর মান্না আত্মগোপনে চলে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা মালামালসহ তাকে ফরিদপুরের ৩ নম্বর আমলি আদালতে পাঠানো হলে আদালত ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করা বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালকদের কেউ কেউ এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলেও দাবি তাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

হাসপাতালের ১৫ ফ্যান চুরি, বিএনপি নেতার ছেলের ৬ মাসের কারাদণ্ড

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেফতার

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।  সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।  ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) দায়ের করা একটি মামলার সূত্র ধরে তাদের অনুরোধেই দিলীপ আগারওয়ালাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  তবে ঠিক কী অভিযোগে ওই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, সে বিষয়ে ডিবিপ্রধান তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাননি। আরও পড়ুনআরও পড়ুনলঞ্চে গুরুতর অসুস্থ যাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাল কোস্টগার্ড এর আগে, ২০২৪ সালের ০৩ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে তৎকালীন র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন দিলীপ। ওই দিন মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশানে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডায় হৃদয় আহমেদ নামের এক কিশোরকে হত্যার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে তিনি জামিনে কারামুক্ত হন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেফতার

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরা, ২০ পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক

রাজধানীর উত্তরায় বকেয়া বেতন পরিশোধ ও সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজলক্ষ্মী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ২০ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। শ্রমিকদের দাবি আদায়ের আন্দোলনের টানা পঞ্চম দিনের ম‌তো শনিবার বেলা ১১টার দি‌কে সড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এলাকার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা কয়েকটি স্থানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা কসাইবাড়ি রেলগেট, জামতলা রেলগেট, আজমপুর রেলগেট এবং জসিমউদ্দিনের হলি ল্যাব মোড়ে সমবেত হন। শ্রমিকরা রাজলক্ষ্মী-সংলগ্ন উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়কে একত্রিত হন। সেখান থেকে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এ সময় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে পু‌লিশ সদস্যদের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শ্রমিকরা লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিচার্জ করে। পরে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করা হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সদস্যরা আহত হন। আহতদের মধ্যে ১৯ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। সব মিলিয়ে আহতের সংখ্যা অন্তত ৫০ বলে জানা গেছে। উত্তরা পূর্ব থানার ওসি মোর‌শেদ আলম ব‌লেন, শ্রমিকরা সড়ক অব‌রোধ কর‌লে তাদের বু‌ঝি‌য়ে সরা‌নোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শ্রমিকরা পু‌লি‌শের ওপর চড়াও হয় এবং ইট-পাটকেল নি‌ক্ষেপ ক‌রে। প‌রে লা‌ঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহার ক‌রে শ্রমিক‌দের ছত্রভঙ্গ ক‌রে দেওয়া হয়। প‌রি‌স্থি‌তি বর্তমা‌নে স্বাভা‌বিক আছে। যান চলাচালও স্বাভা‌বিক।  ওসি আরো জানান, ইট-পাট‌কে‌লের আঘা‌তে ক‌য়েকজন পু‌লিশ সদস্য আহত হ‌য়ে‌ছেন। তা‌দের চি‌কিৎসা দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। কো‌নো আটক নেই।

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরা, ২০ পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক

নারায়ণগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ গ্রেফতার ২

নারায়ণগঞ্জ শহরের দুই নাম্বার রেলগেইট এলাকা থেকে পুলিশের অভিযানে বিদেশী পিস্তল ও মাদকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান এসপি হাবিবুর রহমান।  এর আগে রাতে পুলিশের টহল অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার এবং ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন এমদাদুল হক (২৭) ও মো. জিহাদ (২৪)।  পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃতরা নারায়ণগঞ্জ সদর থানাসহ আশপাশের এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে ৫০ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। তাঁদের ব্যবহৃত একটি অ্যাপাচি ১৬০ সিসি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে, যেটির কোনো রেজিস্ট্রেশন ছিল না। গ্রেপ্তার এমদাদুল হকের বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র আইনে এবং অন্যটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে। অপরদিকে মো. জিহাদের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ৯ মে ফতুল্লা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।  বিডি প্রতিদিন/এএম  

নারায়ণগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ গ্রেফতার ২

চকবাজারের আগুন ২৯ ঘণ্টায়ও নেভেনি

পুরান ঢাকার চকবাজারের ছোট কাটারায় বহুতল ভবনের গুদামে লাগা আগুন গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত ২৯ ঘণ্টায়ও পুরোপুরি নেভানো যায়নি। গতকাল ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার তথ্য দেয় ফায়ার সার্ভিস। তবে সারাদিনই ভবনটি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগুনের শিখা আর দেখা যাচ্ছে না। ভেতরে জমে থাকা ধোঁয়া বের করে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে ভবনে ঢুকতে না পারায় ক্ষতির প্রকৃত হিসাব করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। আগুনে বিপুল পরিমাণ পণ্য পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক সমকালকে জানান, আগুন লাগা গুদামে পানি ছিটিয়ে স্থানটি নিরাপদ করার চেষ্টা চলছে। ভেতরে দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লেগেছে।  ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গত সোমবার বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে ছোট কাটারার মুনসুর খান প্লাজায় আগুন লাগার খবর পান তারা। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে গতকালও ছয়টি ইউনিট সেখানে কাজ করে।  সকালে ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান জানান, ভবনের গুদামগুলো থেকে মালপত্র সরিয়ে সেখানে পানি দেওয়া হচ্ছে। আগুন সম্পূর্ণ নেভাতে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ৭তলা ভবনটির নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত রয়েছে ব্যাগ, প্রসাধনী, ছাতা, আতর ও চার্জারের দোকান। প্রতি তলায় দোকানের সংখ্যা ৪০ থেকে ৫০টি। প্রথমে ভবনের ষষ্ঠ তলায় আগুন লাগে। এতে ওই তলার প্রায় সব গুদামের মালপত্র পুড়ে যায়। সপ্তম তলারও বেশির ভাগ গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন ছড়িয়েছে পঞ্চম তলাতেও। ব্যবসায়ীরা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ভবনের ভেতরে ঢুকতে পারছেন না তারা। ফলে দোকান ও গুদামে থাকা পণ্যের কতটা পুড়েছে, আর কতটা অক্ষত রয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তার কারণে গতকাল মিটফোর্ড হাসপাতালমুখী সড়কটি বন্ধ রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এতে মুনসুর খান প্লাজার আশপাশের আরও ১০ থেকে ১৫টি ভবনের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এসব ভবনেও প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান রয়েছে।

চকবাজারের আগুন ২৯ ঘণ্টায়ও নেভেনি

প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্নাকে ফার্মেসির ভেতরে হত্যার পর ৬ টুকরো করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লা এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) নিতে হবে। অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত দণ্ড কার্যকর করা যাবে না। এ সময় পর্যন্ত আসামিকে কারাগারের কনডেমড সেলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, দণ্ডিত জিতেশ চন্দ্র গোপের বাবার নাম যাদব চন্দ্র গোপ এবং মায়ের নাম অনিতা রানি গোপ। তার স্থায়ী বাড়ি কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায়। তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের একটি মার্কেটে ফার্মেসি পরিচালনা ও অবস্থান করতেন। রায়ের বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নিখোঁজ হন প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্না। পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় একটি ফার্মেসির ভেতর থেকে তার লাশের ৬টি টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, জগন্নাথপুরের ওই ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন শাহনাজ। পরে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি করে ফার্মেসির ভেতর তার লাশের ৬টি খণ্ড দেখতে পান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে জিতেশ চন্দ্র গোপসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্ত জিতেশ চন্দ্র গোপের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত প্রধান আসামি জিতেশকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সুহেল বলেন, এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি সমাজে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এর ফলে বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার পর ৬ টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

স্টিলের দরজায় হাত দিতেই প্রাণ গেল ২ বোনের

ময়মনসিংহের ভালুকায় বাড়ির স্টিলের দরজা খুলে বাইরে বের হওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই সহোদর বোনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু হলো- ওই গ্রামের শাহাবুদ্দিন মিয়ার মেয়ে ফাতেমা (৭) ও নাহিদা (৫)। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাড়িতে নতুন একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই ঘরে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে পুরোনো ঘর থেকে বিদ্যুৎ নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সংযোগের তারে ত্রুটি থাকায় স্টিলের দরজায় বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সময় দুই বোন ঘরের ভেতরে ছিল। দরজা খুলে বাইরে বের হওয়ার সময় তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার সময় শিশু দুটির মা ঘাস কাটতে বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাদের বাবা শাহাবুদ্দিনও কাজের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন বলে জানা গেছে। দুই শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

স্টিলের দরজায় হাত দিতেই প্রাণ গেল ২ বোনের