ঢাকা    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
টেক তরঙ্গ

ভাঙনে ছোট হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ

Post Ads 1


ভাঙনে ছোট হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ
Post Ads 2
ভাঙনে ছোট হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যমুনা নদীর বাম তীরে বছরের পর বছর চলছে ভাঙন। বিলীন হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বাস্তুচ্যুত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। গত কয়েক মাসে অব্যাহত ভাঙনে নদীতে হারিয়ে গেছে ২ শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। এরমধ্যে গত এক সপ্তাহে পাহাড়ি ঢলে পাথরেরচর লোকাই ঝোরার তীরে ভাঙনে ভেসে গেছে অন্তত ২০টি বাড়ি। প্রতিনিয়ত ছোট হয়ে আসছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র। জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Middle Post Content 1

সূত্র জানায়, গত দুই দশকে দেওয়ানগঞ্জের খোলাবাড়ি, হাজারী, চর মাগুরিহাট, চর ডাকাতিয়াপাড়া, খানপাড়া, মাঝিপাড়াসহ বহু গ্রাম যমুনায় বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে কয়েক শ পরিবার। খোলাবাড়ি, চর ডাকাতিয়া ও বড়খালে ভাঙন নতুন কোনো বিষয় নয়। যমুনার এমন করাল গ্রাস দেখে অভ্যস্ত এসব এলাকার বাসিন্দারা। তবে চার মাস ধওে খোলাবাড়ি থেকে চর ডাকাতিয়া হয়ে বড়খাল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে অব্যাহত ভাঙন মানুষের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বাড়িয়েছে। চলতি বছর ইতোমধ্যে ২ শতাধিক বসতবাড়ি যমুনায় হারিয়ে গেছে। নদী গ্রাস করেছে কৃষকের ফসলি জমি। অনেক স্থানে ভেসে গেছে স্বজনদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন টুকুও (কবর)। স্থানীয়রা জানান, যমুনা দিনের বেলা যতটা না আগ্রাসী, তার চেয়ে বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে রাতে। আতঙ্কে রাত কাটে নদীর পাড়ের মানুষের। ভাঙন ঠেকাতে জিওব্যাগ ফেললেও কাজে আসছে না। ফলে আরও বসতভিটা, রাস্তা, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আর ফসলি জমি নদীতে বিলীনের শঙ্কা রয়েছে। ভাঙনে নিঃস্ব অনেকের ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে। কেউ কেউ ভয়ে বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিেেচ্ছন। একই উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর এলাকায় এক সপ্তাহ ধরে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। অব্যাহত ভাঙনের মুখে বাধ্য হয়ে বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামের একমাত্র রাস্তার শেষ অংশটুকু রক্ষা করতে বাঁশের বেড়া দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। নদীতীরের মানুষের দাবি-সাময়িকভাবে নয়, ভাঙন ঠেকাতে দরকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ।

Middle Post Content 2

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, চর ডাকাতিয়া, খোলাবাড়ি এলাকায় যমুনার ভাঙন রোধে ৫১৩ মিটারে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজ প্রায় শেষদিকে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হবে। পাথরেরচর লোকাই ঝোরার ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। সেখানে ভাঙন ঠেকাতে ২৪০ মিটারে জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিষয় : ভাঙনে ছোট হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ

Post Ads 3
0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Post Ads 4
টেক তরঙ্গ

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ভাঙনে ছোট হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যমুনা নদীর বাম তীরে বছরের পর বছর চলছে ভাঙন। বিলীন হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বাস্তুচ্যুত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। গত কয়েক মাসে অব্যাহত ভাঙনে নদীতে হারিয়ে গেছে ২ শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। এরমধ্যে গত এক সপ্তাহে পাহাড়ি ঢলে পাথরেরচর লোকাই ঝোরার তীরে ভাঙনে ভেসে গেছে অন্তত ২০টি বাড়ি। প্রতিনিয়ত ছোট হয়ে আসছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র। জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত দুই দশকে দেওয়ানগঞ্জের খোলাবাড়ি, হাজারী, চর মাগুরিহাট, চর ডাকাতিয়াপাড়া, খানপাড়া, মাঝিপাড়াসহ বহু গ্রাম যমুনায় বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে কয়েক শ পরিবার। খোলাবাড়ি, চর ডাকাতিয়া ও বড়খালে ভাঙন নতুন কোনো বিষয় নয়। যমুনার এমন করাল গ্রাস দেখে অভ্যস্ত এসব এলাকার বাসিন্দারা। তবে চার মাস ধওে খোলাবাড়ি থেকে চর ডাকাতিয়া হয়ে বড়খাল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে অব্যাহত ভাঙন মানুষের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বাড়িয়েছে। চলতি বছর ইতোমধ্যে ২ শতাধিক বসতবাড়ি যমুনায় হারিয়ে গেছে। নদী গ্রাস করেছে কৃষকের ফসলি জমি। অনেক স্থানে ভেসে গেছে স্বজনদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন টুকুও (কবর)। স্থানীয়রা জানান, যমুনা দিনের বেলা যতটা না আগ্রাসী, তার চেয়ে বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠে রাতে। আতঙ্কে রাত কাটে নদীর পাড়ের মানুষের। ভাঙন ঠেকাতে জিওব্যাগ ফেললেও কাজে আসছে না। ফলে আরও বসতভিটা, রাস্তা, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আর ফসলি জমি নদীতে বিলীনের শঙ্কা রয়েছে। ভাঙনে নিঃস্ব অনেকের ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে। কেউ কেউ ভয়ে বসতবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিেেচ্ছন। একই উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর এলাকায় এক সপ্তাহ ধরে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। অব্যাহত ভাঙনের মুখে বাধ্য হয়ে বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামের একমাত্র রাস্তার শেষ অংশটুকু রক্ষা করতে বাঁশের বেড়া দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। নদীতীরের মানুষের দাবি-সাময়িকভাবে নয়, ভাঙন ঠেকাতে দরকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খান বলেন, চর ডাকাতিয়া, খোলাবাড়ি এলাকায় যমুনার ভাঙন রোধে ৫১৩ মিটারে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হয়েছে। কাজ প্রায় শেষদিকে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন হবে। পাথরেরচর লোকাই ঝোরার ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। সেখানে ভাঙন ঠেকাতে ২৪০ মিটারে জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।


টেক তরঙ্গ

সম্পাদক ও প্রকাশক: আত্রাই বার্তা

কপিরাইট © ২০২৬ টেক তরঙ্গ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ভাঙনে ছোট হচ্ছে দেওয়ানগঞ্জ
0:00 0:00
1.0x