শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট আফসানা ও আদিতের
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফেস অব বাংলাদেশ ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। প্রতিযোগিতায় নারী ও পুরুষ বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন আফসানা সুলতানা ও আদিত সারজিল কোরেশি। আগামী নভেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠেয় ‘ফেস অব এশিয়া’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তাঁরা। গতকাল আইসিসিবিতে অনুষ্ঠিত গ্র্যান্ড ফিনালে নারী ও পুরুষ বিভাগে দুই বিজয়ীর হাতে জাতীয় পর্যায়ের শিরোপা তুলে দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতার এবারের আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিল বসুন্ধরা টিস্যু, বসুন্ধরা গোল্ডস জিম, বসুন্ধরা হাউজিং ও বসুন্ধরা সিটি। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল বাংলাদেশ প্রতিদিন।
আগামী ৬ থেকে ২৬ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত হবে ‘ফেস অব এশিয়া’ প্রতিযোগিতা। এশিয়া মডেল ফেস্টিভ্যালের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় এশিয়ার প্রায় ৩০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বাংলাদেশের হয়ে সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দুই বিজয়ী আদিত সারজিল কোরেশি ও আফসানা সুলতানা। এবারের ‘ফেস অব বাংলাদেশ’-এ অংশ নিতে সারা দেশ থেকে ৫ শতাধিক তরুণ-তরুণী আবেদন করেন। প্রাথমিক বাছাই শেষে নারী ও পুরুষ বিভাগে ১০ জন করে মোট ২০ জনকে নিয়ে শুরু হয় মূল প্রতিযোগিতা। বিভিন্ন ধাপের টাস্ক, চ্যালেঞ্জ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থিতি ও বহুমুখী প্রতিভা যাচাই করা হয়। গ্র্যান্ড ফিনালেতে জাতীয় শিরোপার পাশাপাশি বিভিন্ন বিশেষ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। বেস্ট হেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন এসকে আবদুল্লাহ অরিন, বেস্ট স্কিন সাদিয়া হাসান অর্পিতা, বেস্ট স্মাইল আফসানা সুলতানা এবং বেস্ট ফিজিক আদিত সারজিল কোরেশি। বেস্ট পারসোনা (পুরুষ) হয়েছেন রাকিবুল হাসান ইখতি এবং বেস্ট পারসোনা (নারী) ফেরদৌসী তানভীর ইচ্ছা।
বিজয়ীদের জন্য বসুন্ধরা গোল্ডস জিমের এক বছরের সাবস্ক্রিপশন ছাড়াও অ্যামাজন ক্যাফে ও আপন ফ্যামিলি মার্টের ৫ হাজার টাকা মূল্যের গিফট ভাউচার এবং বসুন্ধরা সিটির দুটি গিফট ভাউচার রয়েছে। গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিচারক হিসেবে ছিলেন পারসোনার বিউটি এক্সপার্ট কানিজ আলমাস খান, ফটোগ্রাফার রফিকুল ইসলাম রাফ, ডার্মাটোলজিস্ট ও রিজেনারেটিভ অ্যাস্থেটিক কনসালট্যান্ট ডা. তাওহিদা রহমান ইরিন, জুরহেমের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মেহরুজ মুনির, মডেল ও অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও এএমটিসির প্রতিষ্ঠাতা আজরা মাহমুদ। আয়োজনে আরও সহযোগিতা করেছে বসুন্ধরা টিস্যু, বসুন্ধরা গোল্ডস জিম, বসুন্ধরা হাউজিং, অ্যামাজন ক্যাফে, আপন ফ্যামিলি মার্ট, বসুন্ধরা সিটি, ক্যাপিটাল এন্টারটেইনমেন্ট ও ক্যাপিটাল মাল্টিমিডিয়া। পার্টনার হিসেবে ছিল পারসোনা, ক্যাপিটাল এফএম, রিজুভা ওয়েলনেস ও এফডিসিবি।