ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
আইন দর্পণ

শিক্ষাঙ্গন

স্বপ্নপূরণের পথে জেরিনের অনন্য সাফল্য, এইচএসসিতে জিপিএ-৫সহ সকল বিষয়ে এ প্লাস

স্বপ্নপূরণের পথে জেরিনের অনন্য সাফল্য, এইচএসসিতে জিপিএ-৫সহ সকল বিষয়ে এ প্লাস

অদম্য ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা, অধ্যবসায় আর নিরলস পরিশ্রম—সবকিছুর এক অনন্য প্রতিফলন ঘটিয়েছে মেহেরুন্নেসা তাবাসসুম জেরিন। ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করে নিজের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছে সে। শুধু জিপিএ-৫ অর্জনই নয়, সকল বিষয়েই এ প্লাস পেয়ে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে জেরিন।রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাবনার ঐতিহ্যবাহী সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সে এ কৃতিত্ব অর্জন করে।প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বাংলা বিষয়ে ১৭৪, ইংরেজিতে ১৬০, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৯২, পদার্থবিজ্ঞানে ১৮২, রসায়নে ১৯২, জীববিজ্ঞানে ১৯০ এবং উচ্চতর গণিতে ১৮৬ নম্বর পেয়েছে জেরিন। সকল বিষয়েই তার অর্জন এ প্লাস। সব মিলিয়ে তার ফলাফল গোল্ডেন জিপিএ-৫।একটি ভালো ফলাফলের পেছনে থাকে অসংখ্য নির্ঘুম রাত, নিজের সঙ্গে নিজের প্রতিযোগিতা, নানা বাধা পেরিয়ে এগিয়ে চলা এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার নিরন্তর চেষ্টা। জেরিনের এই সাফল্যও তেমনই এক অধ্যবসায়ের গল্প। তার এই অর্জন শুধু একটি পরীক্ষার ফলাফল নয়, বরং ভবিষ্যতের স্বপ্নপূরণের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভবিষ্যতে একজন আদর্শ চিকিৎসক হয়ে আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় জেরিন।জেরিনের পিতা মো. মাসুদ আলী এবং মাতা মোছা. ইয়াসমিন হাসি। সন্তানের এমন কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল নিঃসন্দেহে পরিবারের জন্য আনন্দ ও গর্বের উপলক্ষ। সন্তানের সাফল্যের হাসিতে বাবা-মায়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটে।জেরিনের এই অসাধারণ অর্জনে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। সবার প্রত্যাশা, এই সাফল্যকে পুঁজি করে সে চিকিৎসাবিদ্যার মতো মহান পেশায় পা রাখবে এবং নিজের মেধা, সততা ও কর্মনিষ্ঠা দিয়ে একদিন দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জেরিনের জন্য রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের শুভকামনা। তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন একদিন বাস্তবে রূপ নিক—এটাই সবার প্রত্যাশা।

কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিসের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

কক্সবাজারের ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার’ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মো. নাফিস তেহামী ও তার পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, এ ধরনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাবিধুর। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শোকাহত। তিনি নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে উপাচার্য বলেন, এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবারের পাশে থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। নিহত শিক্ষার্থী মো. নাফিস তেহামীর বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলার দক্ষিণ চুনাখালী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. জেয়াদুল কবির এবং মায়ের নাম কাজল রেখা।

কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিসের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়ার পরও ১ হাজার ৪৭১ জন প্রার্থী চাকরিতে যোগ দেননি। তাদের মধ্যে কেউ নিয়োগপত্র পেয়েও নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দেননি, আবার কেউ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রই জমা দেননি। অন্যদিকে, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগপত্র বঞ্চিত হয়েছেন ৮৩ জন। ফলে শিক্ষক সংকট কাটাতে শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম। বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিএ) পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫’ দুই ধাপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এতে মোট শূন্যপদ ছিল ১৪ হাজার ৩৮৫টি। এসব পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করেন প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতা করেন। প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে আবেদন পড়ে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন। নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ধাপে উত্তীর্ণ হন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন। তাদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়। কয়েক ধাপে জারি করা এ আদেশের পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাতে কাগজপত্র জমা দেন ১৩ হাজার ৮৩১ জন। বাকিদের মধ্যে ৫৫২ জন কাগজপত্র জমা দেননি। আরেকজন মারা গেছেন। কাগজপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পান। তবে নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও তাদের সবাই কাজে যোগ দেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২ হাজার ৮৩০ জন পদে যোগ দিলেও ৯১৮ জন নিয়োগপত্র হাতে পেয়েও চাকরিতে যোগ দেননি। সব মিলিয়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়া ৫৫৩ জন এবং নিয়োগপত্র পেয়েও কাজে যোগ না দেওয়া ৯১৮ জনসহ মোট ১ হাজার ৪৭১ জন সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেননি।  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম বলেন, অনেকে কাগজপত্র জমা দেননি। তারা কোনো আগ্রহই দেখাননি। আবার অনেকে নিয়োগপত্র হাতে পেয়েও যোগদান করেননি। হয়তো তাদের অন্যত্র চাকরি হয়েছে। সেটিকে তারা গুরুত্ব দিয়েছেন। সব সরকারি নিয়োগে এমন ঘটনা ঘটে থাকে। তবে বিপুলসংখ্যক প্রার্থী যোগ না দেওয়ায় এবার বিষয়টি অধিদপ্তরের জন্য কিছুটা চাপ তৈরি করেছে। আবদুর রহিম বলেন, বড় একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। এরপরও পদ শূন্য থাকলে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়। এ কারণে দ্রুত নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

বোমা হামলার হুমকি: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, চলছে নিরাপত্তা তল্লাশি

রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকাল থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। একটি ই-মেইল বার্তায় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বোমা হামলার হুমকির প্রেক্ষিতে এ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।  সকাল থেকে আরও বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রয়েছে শক্ত অবস্থান। যারাই ভেতরে প্রবেশ করছেন তাদেরকে তল্লাশির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে।  ডিএমপির গুলশান বিভাগের বাড্ডা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, নিরাপত্তার জন্য ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা তল্লাশিও করছি।  এর আগে রবিবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ওই হুমকির ই-মেইল আসে। পরে বিষয়টি বাড্ডা থানায় জানিয়ে জিডি করা হয়।  হুমকির বার্তায় বলা হয়েছে, ৬ অক্টোবর,  মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালানো হবে। বার্তাটিতে হামলা ঠেকানো সম্ভব হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।  ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এক লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছে, অজ্ঞাত একটি ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির বিষয়টি তারা পেয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও পাওয়া যাচ্ছে।  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি পরিবারের সব সদস্যের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

বোমা হামলার হুমকি: ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, চলছে নিরাপত্তা তল্লাশি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে বিদ্যালয় পরিদর্শনের নির্দেশ

প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আগস্ট মাসের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে কর্মকর্তাদের নামের পাশে নির্ধারিত উপজেলা বা থানার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মাসুদ হোসেন গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) অফিস আদেশে সই করেন। আদেশে কর্মকর্তাদের আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। অফিস আদেশ অনুযায়ী, মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিচালকসহ অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা দেশের যেকোনো উপজেলা পরিদর্শন করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্দিষ্ট উপজেলা ও থানায় পাঠানোর জন্য তালিকা করা হয়েছে। তালিকায় জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, কর্মকর্তারা কর্মস্থল ত্যাগের আগে নিজ নিজ বিভাগের পরিচালকের পূর্বানুমতি গ্রহণ করবেন। পরিচালকরা তাদের আওতাধীন কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনের জন্য কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি দেবেন। আদেশে বলা হয়েছে, উপবৃত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা নির্ধারিত ট্যুর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত উপজেলা বা থানার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন। এসব বিদ্যালয়ের একটি শহর ও দুটি গ্রাম থেকে বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে দুই দিন অবস্থান করে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত উপজেলা বা থানার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে। এর মধ্যে একটি শহর ও একটি গ্রামীণ বিদ্যালয় বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করে সরেজমিনে এক দিন অবস্থান করে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। পরিদর্শন শেষে নির্ধারিত ছকে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে পরিদর্শন সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগে জমা দিতে হবে। প্রতিবেদন দাখিলের প্রমাণক কপি টিএ/ডিএ বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অফিস আদেশে আরও বলা হয়, কর্মকর্তারা নিজ নিজ বেতন খাত থেকে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী টিএ/ডিএ প্রাপ্য হবেন। অধিদপ্তরে সংযুক্তিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের টিএ/ডিএ বিল মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে বিদ্যালয় পরিদর্শনের নির্দেশ

শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার নির্মাতা: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রধান কারিগর বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার নির্মাতা। একটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক শুধু প্রতিদিন পাঠদান করেন না, তিনি প্রতিদিন আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলেন।’   সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ন্যায়সংগত আচরণ করা, শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধে শিক্ষিত করা এবং তাদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করাই শিক্ষকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। শিক্ষকদের সম্ভাবনার বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিশ্চিত করাও জরুরি।’ তিনি বলেন, ‘আজকের এই শিক্ষক দিবসে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে পেয়েছি, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। দিনের শুরুতে বৈঠক এবং বিকেলেও একাধিক কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের সম্মান জানাতে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন। এটি শিক্ষকদের প্রতি তার সম্মান ও গুরুত্বের বহিঃপ্রকাশ। আগে এই দিবসে ১২ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হলেও এবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে তা বাড়িয়ে ১০২ জন করা হয়েছে। সম্মাননা হিসেবে শিক্ষকদের পদক, দুই লাখ টাকার চেক ও সনদ দেওয়া হচ্ছে।’ ড. মিলন বলেন, ‘জীবনের প্রথম শিক্ষক বাবা-মা। বাবা-মা সন্তানকে প্রাথমিক শিক্ষা দিয়ে স্কুল-কলেজে পাঠানোর পর দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষকরাই তাদের জ্ঞান, মূল্যবোধ ও দক্ষতা বিকাশে ভূমিকা রাখেন। ফলে জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ ‘তবে শিক্ষকদের মর্যাদা শুধু ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এর বাস্তব প্রতিফলন থাকতে হবে তাদের বেতন, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশে। শিক্ষকদের সমস্যাগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মতামত ও শিক্ষা সংস্কারে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে।’ মেধাবী তরুণদের শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় যারা শ্রেণিতে প্রথম হতো, তাদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা কিংবা শিক্ষা পেশায় আসতে আগ্রহী ছিল। বর্তমানে আমরা সেই জায়গা থেকে অনেক দূরে চলে গেছি। এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতাকে নিজেদের পেশা হিসেবে বেছে নেবে।’ শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকদের বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষের পেছনের বেঞ্চে বসে থাকা নীরব শিক্ষার্থীটিকেও খুঁজে বের করতে হবে। তাকে প্রশ্ন করতে হবে, উৎসাহ দিতে হবে এবং সামনে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। কারণ আজকের সেই পেছনের বেঞ্চের শিক্ষার্থীই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হতে পারে। শিক্ষকদের পাশে সরকার থাকবে। তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ এদিকে অনুষ্ঠানে ১০২ জন গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।  

শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার নির্মাতা: শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ, ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার। তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এতে সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া এমপি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। বক্তব্য দেবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সোমবার দুপুর ২টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠান শুরু হবে।   এবার বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য—‘শিক্ষকদের পাশে: পেশার সুরক্ষায় ৬০ বছর, মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়া’। জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া এবং সম্মাননার মাধ্যমে শিক্ষকদের মর্যাদা তুলে ধরা দিবসটি উদযাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য। এ বছর প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন, কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন, চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ জন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত ৬ জন শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ের ১০ জনের মধ্যে সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮ জন ও মাদ্রাসার ২ জন শিক্ষক রয়েছেন। মাধ্যমিক পর্যায়ের ২০ জনের মধ্যে সাধারণ মাধ্যমিকের ১০ জন, কারিগরি শিক্ষার ৫ জন ও মাদ্রাসার ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। কলেজ পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার ১৫ জন, কারিগরি শিক্ষার ৫ জন ও মাদ্রাসার ৫ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হবে। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ জনের মধ্যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ জন এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন শিক্ষক রয়েছেন। চিকিৎসা শিক্ষায় ৫ জন চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও ৫ জন চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সম্মাননা পাবেন। এ ছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত আরও ৬ জন শিক্ষকও এ তালিকায় রয়েছেন। সম্মাননা হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষককে ২ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে। বিশেষ প্রয়োজনে সম্মাননার স্তর ও সংখ্যা কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির রয়েছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ, ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার

অনিয়মের তদন্ত হলেও প্রতিবেদন দাখিল হয়নি ৪ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

বেসরকারি এমপিওভুক্ত ৪ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়মের তদন্ত করেছেন শিক্ষা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তারা। বিগত ৫ থেকে ১০ বছর আগে এসব তদন্ত করা হলেও এখনো জমা দেওয়া হয়নি প্রতিবেদন। অভিযোগ রয়েছে, একশ্রেণির কর্মকর্তার ‘ঘুষ-বাণিজ্যের’ কারণে আলোর মুখ দেখেনি এসব তদন্ত প্রতিবেদন। ডিআইএ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেদন জমা না দেওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে ৪০ কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। তবে শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ার পরেও কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের মূল কাজ স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার আর্থিক বিষয় নিরীক্ষা করা এবং বিভিন্ন অনিয়মের তদন্ত করা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা ৪ হাজারের বেশি নিরীক্ষা ও তদন্ত করেন। এর মধ্যে ৩ হাজার অনলাইনে এবং বাকি তদন্ত সরেজমিনে করা হয়েছে। পাঁচ থেকে ১০ বছর আগে এসব তদন্ত করা হলেও প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডিআইএর একশ্রেণির কর্মকর্তা বছরের পর বছর কিস্তিতে ঘুষ নিয়েছিলেন অনিয়মে জড়িত শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক অধ্যাপক মো. আফলাতুন বলেন, ডিআইএর কিছু পরিদর্শক এখানে ছিলেন, যারা তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দিয়ে বদলি হয়ে চলে গেছেন। তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠি দেওয়ার পর কিছু প্রতিবেদন হালনাগাদ করে জমা দেওয়া হয়েছে। সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে অনিয়মে জড়িতদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে তদন্ত কর্মকর্তার অনেকেই এখন ডিআইএ দপ্তরে নেই। বদলি হয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে গেছেন। তবে ডিআইএ কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের চিঠি দেওয়া হচ্ছে। অধ্যাপক মো. আফলাতুন আরও বলেন, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের অনেক প্রতিবেদন তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর পেয়েছেন, যেগুলো জমা দেওয়া হয়নি। এসব প্রতিবেদন নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে। ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়ারও চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফোন করে জানানো হচ্ছে, একটার পর একটা অডিট হয়েছে, কিন্তু রিপোর্ট লেখার সময় পাননি অডিটররা। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে অডিট করলেও তারা প্রতিবেদন জমা দেননি। অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তারা অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে এসব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেননি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একজন অধ্যাপক ইত্তেফাককে বলেন, এখানে অবশ্যই লেনদেন হয়েছে এবং সেটা বড় অঙ্কের। যদি তা না হতো, তাহলে তদন্ত প্রতিবেদনগুলো সময়মতো জমা পড়ত এবং যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। যেহেতু তা হয়নি, তাই এতদিন ধরে মানুষের যে ধারণা ছিল, সেটাই আবার প্রমাণিত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা ও অনিয়ম তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। তদন্ত হয়, প্রমাণও পাওয়া যায়; কিন্তু তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে সবার আগে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মূল কাজ পাঠদান করা। অথচ সেই কাজ বাদ দিয়ে তারা মরিয়া হয়ে ওঠেন ডিআইএতে দায়িত্ব পেতে। কারণ, সেখানে পদায়ন মানেই কোটিপতি হওয়া। তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষকদের নানা অনিয়মের সুযোগ নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করেন ডিআইএর পরিদর্শকরা। শিক্ষকদের সার্টিফিকেটসহ নানা জালিয়াতির ধরন বুঝে ঠিক হয় ঘুষ এককালীন নেওয়া হবে, নাকি কিস্তিতে। কম জালিয়াতি হলে এক মাসের এমপিওর সমান, বেশি হলে আরও বেশি। অনিয়ম না করলেও কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক-কর্মচারীর এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ টাকা ঘুষ নেওয়ার নজির রয়েছে। দপ্তরটির মূল কাজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক, নিয়োগ এবং আর্থিক বিষয়াদি নিরীক্ষা। জাল সনদ ধরাও তাদের কাজ। নিয়োগ ও জাল সনদ ধরার দিকেই পরিদর্শকরা বেশি মনোযোগী। কারণ, এখানে অনিয়ম এবং ঘুষের হার বেশি। গত এক দশকে ডিআইএতে এমন ১০ সহস্রাধিক ফাইলের সন্ধান মিলেছে, যেখানে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করতেন ডিআইএ কর্মকর্তারা। আটকে থাকা প্রতিবেদন জমা দিতে ৪০ পরিদর্শককে গত ২০ আগস্ট চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অনিয়মের তদন্ত হলেও প্রতিবেদন দাখিল হয়নি ৪ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি ভর্তির লিখিত পরীক্ষা ১৮ সেপ্টেম্বর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের এমফিল ও পিএইচডি কোর্সের লিখিত ভর্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আওলাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার ধানমন্ডির ডক্টর মালিকা কলেজে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সব ভর্তি-ইচ্ছুক আবেদনকারীকে অবশ্যই তাঁদের অনলাইন আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি সঙ্গে আনতে হবে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) সময় ও স্থান পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি ভর্তির লিখিত পরীক্ষা ১৮ সেপ্টেম্বর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, উপাচার্য-প্রক্টরের পদত্যাগ ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্রদলের নেতাদের একটি প্ল্যাটফর্ম ‘সন্ত্রাস বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে বের হয়ে মশাল মিছিলটি কলাভবন, হলপাড়া, রেজিস্ট্রার ভবন ঘুরে ভিসি চত্বরে এসে শেষ হয়।এ সময় ‘সাম্য হত্যার বিচার চাই’, ‘ভিসি প্রক্টরের অনেক গুণ, নয় মাসে দুই খুন’, ‘আমার ভাই কবরে, প্রক্টর কেন চেয়ারে’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া দেন মিছিলকারীরা।১৩ মে রাত ১১টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে আহত হন সাম্য। রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পরদিন সকালে সাম্যের বড় ভাই শরীফুল আলম শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।সাম্য হত্যার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে।এতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করছেন তারা। একই সঙ্গে কিছু কিছু বিষয়ে আরও স্বচ্ছতার জন্য আসামিদের পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই হত্যার কারণ উদঘাটন ও আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মশাল মিছিল, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

নিয়ম ভেঙে জাবির ছাত্র হলে ছাত্রীর প্রবেশ

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছড়িয়ে পড়া ছবিতে ছাত্রীর সঙ্গে থাকা ছাত্ররা হলেন- এফএম প্রত্যয়, আমিনুল ইসলাম, সামিদুল ইসলাম এবং মো. রাশেদ। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২ ব্যাচের (২০২২-২৩ সেশন) বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ছাত্রীসহ তার দুই ছেলে বন্ধু একটি চৌকির উপর বসে আছেন। তাদের পেছনে একজন চৌকিতে শুয়ে আছেন। আরেকজন একটু সামনে এগিয়ে সেলফি তুলেছেন।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮-এর হল সংক্রান্ত বিধিমালার (ভ) এর (২) এ উল্লেখ করা আছে- ‘ছাত্রদের হলে প্রভোস্টের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো ছাত্রী/নারী প্রবেশ করতে পারবে না।’এছাড়া অধ্যাদেশের চতুর্থ ধারায় শাস্তি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের (ঘ)-তে বলা হয়েছে- ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গ কিংবা অসদাচরণের জন্য একজন হল প্রভোস্ট তার হলের ছাত্র/ছাত্রীকে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার অথবা সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা জরিমানা করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় অথবা বহিষ্কারাদেশকে পর্যাপ্ত মনে না করলে তিনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি উপাচার্যের নিকট প্রেরণ করবেন।’খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ছাত্রী প্রাধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই ছাত্র হলে প্রবেশ করেছেন। এছাড়া ছবিতে থাকা অন্য ছাত্ররাও এ বিষয়ে কোনো অনুমতি নেননি। তবে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি গত বছরের অক্টোবর মাসের বলে দাবি করেছেন ছবিতে থাকা ব্যক্তিরা।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছবিতে থাকা শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসের। তখন নজরুল হল সদ্য চালু হয়েছে। আমরা নতুন রুমে উঠেছিলাম, তাই আমাদের এক বান্ধবীকে রুম দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ছবিটি তোলা হয়েছিল হলের ৫২৭ নম্বর কক্ষের পঞ্চম তলায়।ছবিতে থাকা ছাত্রী বলেন, ছবিটি অনেক আগের। সম্ভবত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসের। তখন কাজী নজরুল ইসলাম হলটি অফিসিয়ালি চালু হয়নি। এমনকি হলে কোনো নিরাপত্তা প্রহরীও ছিল না। অনেকেই তখন হলে গিয়ে ছবি তুলেছিল। আমি সেদিন বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছিলাম, কিছুক্ষণ থেকে চলে এসেছি। আমার সঙ্গে আরও ৭-৮ জন বন্ধু ছিল; কিন্তু এখন হঠাৎ করে পুরোনো একটি ছবি ভাইরাল করে আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটা এক ধরনের ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে বলেই আমি মনে করি। কেন হঠাৎ করে এখন এই ছবি ছড়ানো হলো, সেটা আমার জানা নেই।

নিয়ম ভেঙে জাবির ছাত্র হলে ছাত্রীর প্রবেশ

২ দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক এসএসসির ফল প্রত্যাশীদের

তাদের দুই দফার প্রথমটি হলো- লিখিত (তত্ত্বীয়) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার নম্বর একসঙ্গে যোগ করে পাস-ফেল ও জিপিএ হিসাব করা এবং দ্বিতীয় দাবি সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা (ফল প্রকাশের কিছুদিন পরই ফেল করা বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া) চালু করা।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ১৩ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পার না হতেই আন্দোলনে নামছে যাচ্ছে তারা।দুই দফা দাবিতে আগামী রোববার (২৫ মে) শিক্ষা ভবনের (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর) সামনে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।দাবি-দাওয়ার সঙ্গে একমত পোষণকারী রাজধানীর একটি স্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শাহনেওয়াজ পারভেজ বলেন, ২০১৮ সালের আগে এসএসসিতে আলাদা আলাদা পাশ মার্কস ছিল না। এখন লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেও এমসিকিউতে ফেল করলে তাকে ফেল দেওয়া হয়। এটা আমরা চাইছি না। আমরা চাই, দুইটা (লিখিত ও এমসিকিউ) মিলিয়ে পাশ-ফেল হিসাব করা হোক।সে আরও বলেছে, আমরা ২৫ মে সমাবেশ করব। শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি-দাওয়া জানাব। আশা করছি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড আমাদের দাবিগুলো মেনে নিয়ে এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করবে।গত ১০ এপ্রিল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে অংশ নিতে ফরম পূরণ করেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত ১৩ মে।

২ দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক এসএসসির ফল প্রত্যাশীদের

ক্যাম্পাস ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা

বাড়ির উদ্দেশ্যে হল ছাড়ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী বিপুল রায়হান। দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা বছর ক্লাশ-পরীক্ষা আর অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে দম ফেলার সময় পাই না। ঈদ আর গরমের ছুটি মিলিয়ে এবার বাড়ি গিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারব, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে।৫৩ ব্যাচের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া রহমান বলেন, এই প্রথম ঈদে এত লম্বা ছুটি পাচ্ছি। বন্ধুদের সঙ্গে বিদায় নিতে খারাপ লাগলেও পরিবারের কাছে যাওয়ার আনন্দটাই বেশি।গত ১৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ আগামী ২২ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।ছুটিতে হল বন্ধ থাকবে কিনা? জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, এবার হল ভ্যাকেন্ট দেওয়া হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সন্ধ্যা ৬টার পর কাউকে হলের বাইরে অবস্থান করতে নিষেধ করা হতে পারে।হল খোলা থাকলে ডাইনিং ও ক্যান্টিন খোলা থাকবে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাইনিং বন্ধ থাকবে তবে ক্যান্টিনের পরিচালক চাইলে ক্যান্টিন খোলা রাখতে পারবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহম্মদ কামরুল আহসান জানান, যারা বিশেষ কারণে হলে অবস্থান করবেন, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সেবার ব্যবস্থা রাখা হবে।

ক্যাম্পাস ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা